Logo

মরিশাস সময়ের সবচেয়ে ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতির সম্মুখীন

আঃ আলীম, ষ্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২১
করোনা পরিস্থিতির

সময়ের আলোচিত সবচেয়ে ভয়াবহ প্রানঘাতি এক “বিশ্ব বিপর্যয় পরিস্থিতির” নাম। করোনার প্রাননাশী ছোবলে কমবেশী বিশ্বের প্রতিটি দেশেই অসংখ্য মানুষের প্রান গেছে। বাংলাদেশ সহ বিশ্বের শক্তিধর উন্নত অনুন্নত কোন দেশই রেহাই পায়নি এর বিষাক্ত ছোবলের কবল থেকে। পূব আফ্রিকা অঞ্চলের ছোট দেশ মরিশাসেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। আক্রান্ত ও হয়েছে এবং প্রানহানি ও ঘটেছে কিন্তু তুলনামূলক ভাবে অনেক কম ছিল।

পর্যটন নির্ভর মরিশাসের অর্থনীতির উপর বড় ধরনের প্রভাব পড়েছিল সেবারের স্বল্প পরিসরে করোনার পরিস্থিতির মোকাবেলায়। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে তাল মিলিয়ে দিয়েছিল লকডাউনের মত কঠোর বিধিনিষেধ। ফলে দেশটির অর্থনীতি তলানীতে নেমে যায়।সেই সাথে মরিশাসে থাকা বাংলাদেশী প্রবাসীদের রেমিটেন্সে এর উপর বিরুপ প্রভাব পড়ে।

লাগাতার লকডাউনের ফলে প্রতি রুপিতে প্রায় ৩৫ পয়সা কমে যায়। পরবর্তী সময়ে মরিশাসের করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে, পর্যটন কেন্দ্র
সহ সকল খাতে অর্থনীতীর চাকা সচল হলেও বাড়েনি বাংলাদেশী প্রবাসীদের এক্সচেন্জ রেট। বরং ক্রমেই নিচের দিকে নেমেছে দফায় দফায়।
সেই রেশ কাটতে না কাটতে আবারো করোনার হানা দিয়েছে দেশটিতে।

এবার সময়ের সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির মোকাবেলা করছে দেশটি। দেশের মোট জনসংখ্যা সাড়ে ১২ লাখ, গত কয়েক দিন যাবত গড়ে প্রতিদিন ৩০ জনের মত মানুষের প্রানহানি ঘটছে। শনাক্তের সংখ্যা হাজারের উপরে।সাধারন মানুষের চলাচলের উপর কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করলেও লকডাউনের মত কঠোর কর্মসুচী দিচ্ছেনা মরিশাসের সরকার। দেশের অর্থনীতির কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত। হাসপাতাল সহ জরুরি স্বাস্থ্য সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে দেশটির স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

মরিশাসের স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই সংকট নিরসনে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে কাজ করছে সরকার। তারা বলেছে, অচিরেই সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে। আতঙ্কিত না হয়ে ধৈর্য্য সহকারে পরিস্থিতির মোকাবেলা করা হচ্ছে। এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনার নতুন ভার্ষন “ওমিক্রন” এর কারনে কঠোর লকডাউন দিয়েছে তাদের সরকার। ইউরোপ সহ আমেরিকার কয়েকটি দেশ তাদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। যার প্রভাব মরিশাসে ও পড়তে  পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞ মহল।

উক্ত পরিস্থিতে মরিশাসে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। যার যার কর্মস্থলে ও হাউজে বিশেষ করে মাস্ক পরিধান,ও স্বাভাবিক দুরত্ব বজায় রেখে, মরিশাসের স্থানীয় বিধিনিষেধ মেনে চলার উপর বিশেষ গুরুত্ব সহকারে পালন করতে বলা হয়েছে।গত রবিবার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই বিশেষ সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়।

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার জরীপে, বর্তমানে করোনার নতুন এ সংক্রমনে, প্রতিদিন প্রায় ছয় হাজারের অধিক মারা যাচ্ছে। করোনায় বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫২ লাখ ৮০ হাজার জনে পৌঁছে গেছে। একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্তের শিকার হয়েছেন চার লাখ ৪১ হাজারের অধিক মানুষ। এবং এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ কোটি ৬৬ লাখ ৬০ হাজারের অধিক মানুষ।

আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন পাঁচ হাজার ২৮০ জন। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫২ লাখ ৭৭ হাজার ১৩১ জনে। একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন চার লাখ ৪০ হাজার ২৩৫ জন। এতে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ কোটি ৬৬ লাখ ৫৯ হাজার ৯৯ জনে।

আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন পাঁচ হাজার ২৮০ জন। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫২ লাখ ৭৭ হাজার ১৩১ জনে। একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন চার লাখ ৪০ hহাজার ২৩৫ জন। এতে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ কোটি ৬৬ লাখ ৫৯ হাজার ৯৯ জনে।


More News Of This Category
Theme Created By Tarunkantho.Com