Logo

পুলিশ সদস্যের বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা; স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থ লুট

অনলাইন ডেক্স;
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২২
পুলিশ সদস্যের বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা

মাহফুজুর রহমান, কালীগঞ্জ (গাজীপুর): গাজীপুরের কালীগঞ্জে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) এক পুলিশ সদস্যের বাড়ি থেকে স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুটের খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারী) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের উলুখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সকালে ভূক্তভোগী ওই পুলিশ সদস্যের স্ত্রী মেরি রোজারিও লুটের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও দুপুরে ঘটনার সত্যতা শিকার করেছেন কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনিসুর রহমান।

ওসি বলেন, বাড়ীতে কেউ থাকতো না। শুধু সাবেক পুলিশ সদস্য সলোমন হাজদা (৮০) ও তার স্ত্রী মেরি রোজারিও (৭০) থাকতেন। ঘটনারদিন সলোমন হাজদা বাড়িতে ছিলেন না। তিনি দিনাজপুরে ছিলেন। খালি বাড়ি থাকার কারণে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে কিছু স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়ে গেছে। তবে এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

মেরি রোজারিও জানান, তিনি বাংলাদেশ হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের সাবেক নার্স ছিলেন। বর্তমানে তিনি চলাফেরা করতে পারেন না। হুইল চেয়ার, ক্রেচ বা অন্যের সহায়তায় ঘরের মধ্যেই চলাচল করেন। বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে ৪/৫ জন দুর্বৃত্ত গামছা ও মাফলারে মুখ প্যাঁচানো অবস্থায় ঘরে ঢুকে। এ সময় তাদের হাতে গ্রীল কাটার যন্ত্রছিল। পরে ঘরে থাকা চাকু ও ছুড়া দিয়ে ভয় দেখিয়ে মুখ চেপে ধরে তার কাছে থাকা চাবি নিয়ে ঘরের আলমারি খুলে ৭/৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ৭০ হাজার টাকা ও ৩টি স্মার্ট ফোন নিয়ে যায়। এ সময় পাশের ঘরেই তার ভাতিজা বৌ ছিল তাকেও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করা হয়।

তিনি আরো জানান, দুর্বৃত্তরা প্রথমে দেয়াল টপকে বাড়িতে ঢুকে এবং বারান্দার গেইটের গ্রীল কেটে ঘরে ঢুকে। বাড়ির ভিতরেই অন্য ভাড়াটিয়ারাও ছিল। আমাদের হুলস্থুলিতে তারা স্বর্ণালঙ্কার, টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। তবে তাদের কথাবার্তায় স্থানীয় বলে মনে হয়নি বলেও জানান তিনি।

মুঠোফোনে সাবেক পুলিশ সদস্য সলোমন হাজদা জানান, বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) কাজ করতেন। ২০১২ সালে অবসরে যান। তিনি এখন দিনাজপুরে আছেন। বাড়ি থেকে ফোনে ঘটনার কথা জানানো হয়েছে। বাড়ি ফিরে গিয়ে দেখি তারপর আইনি পদক্ষেপ।

নাগরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. অলিউল ইসলাম অলি বলেন, ঘটনার পর আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছি এবং ভূক্তভোগীদের থানায় অথবা স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছি।


More News Of This Category
Theme Created By Tarunkantho.Com