Logo

মহানবীর (সা.) ১৪০০ বছর আগের যে বাণী সত্য প্রমাণ পেল বিজ্ঞান

অনলাইন ডেক্স;
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২১

জান্নাতের আটটি দরজার প্রত্যেকটিতে দুটি করে পাল্লা রয়েছে। নবি কারিম সা. দুই পাল্লার মধ্যবর্তী জায়গা কতটা প্রশস্ত সে সম্পর্কে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন। হাদিসের বিশুদ্ধ গ্রন্থ মুসলিম শরিফের এক হাদিসে নবী সা. বলেছেন, জান্নাতের দরজার দুই পাল্লার মাঝখানের প্রশস্ততা মক্কা শরিফ থেকে বাহরাইনের হাজার অথবা মক্কা শরিফ থেকে সিরিয়ার বুশরার দূরত্বের সমান।হাদিসটি এমন। ১৪০০ বছর আগে মুহাম্মদ বলেছেন-

وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ إِنَّ مَا بَيْنَ الْمِصْرَاعَيْنِ مِنْ مَصَارِيعِ الْجَنَّةِ لَكَمَا بَيْنَ مَكَّةَ وَهَجَرٍ أَوْ كَمَا بَيْنَ مَكَّةَ وَبُصْرَى ‏  যার হাতে মোহাম্মদের প্রাণ তার শপথ, নিশ্চয়ই জান্নাতের দরজার দুই পাল্লা/চৌকাঠের মাঝখানের দূরত্ব মক্কা এবং হাজারের দূরত্বের পরিমাণ, অথবা মক্কা এবং বুশরা এর দূরত্বের পরিমাণ। সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৩৬৮।

আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে মহানবী সা. এ বাণী দিয়েছেন।

নবী যদি বলতেন, জান্নাতের দরজার ‍দুই পাল্লার মধ্যবর্তী দূরত্ব মক্কা শরিফ থেকে ‘হাজার’ (স্থানের নাম) পর্যন্ত। তাহলে এ নিয়ে এ মুহূর্তে হয়তো আলোচনা হতো না। তিনি সঙ্গে সঙ্গে বলেছেন, অথবা জান্নাতের দুই দরজার মধ্যবর্তী দূরত্ব মক্কা শরিফ থেকে বুশরার দূরত্বের সমান। মহানবীর এ কথায় স্পষ্ট যে, মক্কা থেকে ‘হাজার’ বা মক্কা থেকে বুশরার দূরত্ব সমান। সম্প্রতি স্যাটেলাইট প্রযুক্তিতে পাওয়া ছবিতেও দেখা গেছে মক্কা থেকে বুশরা এবং মক্কা থেকে ‘হাজার’ একই দূরত্বে অবস্থিত। শত শত বছর আগে মরুভূমিতে বসে থাকা একজন মানুষ কিভাবে এটা জানলেন। ‘নিশ্চয় তিনি মনগড়া কোন কথা বলেন না, এগুলো কেবলই ওহী, যা তার কাছে পাঠানো হয়।’ (সুরা নাজম, আয়াত ৩-৪)

রোববার ইসলাম প্র্যাকটিস নামে একটি ফেসবুক পেজ তাদের এক পোস্টে বিষয়টি ‍তুলে ধরেছে। সেখানে স্যাটেলাইটে পাওয়া ছবিটি পোস্ট করা হয়েছে। ছবিতে দেখা যায়, মক্কা থেকে সিরিয়ার বুশরার দূরত্ব এক হাজার ২০০ কিলোমিটার। অন্যদিকে মক্কা শরিফ থেকে বাহরাইনের ‘হাজার’ এর দূরত্বও এক হাজার ২০০ কিলোমিটার।

৫৭০ খ্রিস্টাব্দে আরবের মক্কা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন শেষ নবী ও রাসূল হজরত মুহাম্মদ সা.। ৪০ বছর বয়সে তিনি আল্লাহর তরফ থেকে নবুওয়াত লাভ করেন। ৬১০ খ্রিস্টাব্দে তিনি ইসলাম প্রচার শুরু করেন। ৬২২ খ্রিস্টাব্দে তিনি মদিনায় হিজরত করেন। দীর্ঘ ২৩ বছর একটু একটু করে প্রয়োজন অনুযায়ী মহানবীর সা. ওপর কোরআন নাজিল হয়। ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে তিনি ওফাত লাভ করেন।


More News Of This Category
Theme Created By Tarunkantho.Com