Logo
শিরোনাম :
সাভারে স্বপ্নস্বর আবৃত্তি কর্মশালার উদ্বোধন হলো আজ আরব আমিরাতের কাছে নতুন ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা বিক্রি করবে ইসরাইল এবার ধুসর ডিম দিলো পাঁতিহাস আ’লীগের জোটে ভোট করতে চাই না; ভাইস চেয়ারম্যান তোফাজ্জল রায়গঞ্জ ভুইয়াগাঁতী উচ্চ বিদ্যালয়; অযত্ন অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে সরকারি বিনামূল্যের পাঠ্য বই গোবরচাঁপাহাট মহাবিদ্যালয় সংরক্ষিত পাশসহ চার দিনের লম্বা ছুটিতে ‘বাংলাদেশ ইসলামিক জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন’-এর আত্মপ্রকাশ শিবচরে মালামালসহ পিকআপ ছিনতাই, গ্রেফতার-৪ ঢাকায় আমিরাতের নতুন রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলি আল হামুদি বাঘায় চাচার ছুরিকাঘাতে চিকিৎসাধিন অবস্থায় ভাতিজার মৃত্যু
অভিনন্দন বার্তা
আজকের তরুণকণ্ঠ'র দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সকল কলাকুশলী, লেখক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।




বিশ্ব ভ্রমনে আজমেরী; ১৩২ নম্বর দেশ ভ্রমনে সে এখন পর্যটন দেশ মরিশাসে

তরুণকণ্ঠ :
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২
বিশ্ব ভ্রমনে আজমেরী

আ. আলীম- স্টাফ রিপোর্টার:

সেই ২০০৯ সাল থেকে বিশ্ব ভ্রমনে খুলনার মেয়ে কাজী আসমা আজমেরী এখন পর্যন্ত ১৩১টি দেশ ভ্র্রমন করে ফেলেছেন।তার ইচ্ছা সারাবিশ্ব ঘুরে বেড়াবেন, নিজের চোখে দেখবেন পৃথিবীর সবগুলো দেশ। এরইমধ্যে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, মিশর, রাশিয়া, ডেনমার্ক, বলিভিয়া, পেরু, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ভ্রমনের পর এখন তিনি অবস্থান করছেন মরিশাসে।

একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক করা কাজী আসমা আজমেরী ছোট বেলা থেকেই প্রবল ইচ্চা ছিলো সারা পৃথিবীটাকে একবার ঘুরে দেখা।আর তখন থেকেই তার সব প্রস্তুতি চলছে যার ফলস্বরূপ তিনি পৃথিবীর অর্ধেকের ও বেশী দেশ ভ্রমন করেন। বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান হওয়ার সুবাদে তাদের অনুপ্রেরণা, সহযোগিতা ও নিজের ব্যক্তিগত গহনা বিক্রির টাকা ও কাজ করে অর্থ সঞ্চয় করে বিশ্বভ্রমণে বের হন তিনি।

পুরো বিশ্ব ঘুরে দেখার মিশনে আজমেরী কলকাতা থেকে মুম্বাই হয়ে গত ১১ সেপ্টেম্বর মরিশাসে পৌঁছান আজমেরী। এর আগে হলুদ জ্বরের সংক্রমণ এড়াতে টিকাও নিতে হয়েছে তাকে। আজমেরী জানান, ‌‘ছোটবেলা থেকেই মরিশাস তার অনেক পছন্দের একটি দেশ’।গুগল এবং বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে মরিশাস সম্পর্কে তার পুরো ধারনা রয়েছে।

আজমেরী এখন একাই মরিশাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং ওখানকার স্কুল কলেজে তার ভ্রমণের গল্প শোনাচ্ছেন। প্রথম দুই দিন সেন্ট লুইস শহরে থাকলেও এখন তিনি ঘুরে বেড়াচ্ছেন বিভিন্ন শহরে ও গ্রামে। তিনি বলেন, ‘মরিশাস অত্যন্ত আধুনিক। পর্যটন দেশ হিসাবে মরিশাসের রয়েছে ব্যাপক পরিচিত। প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের লীলা ভুমি পূর্ব আফ্রিকার এই ছোট্র দ্বীপদেশটি আবার আফ্রিকা মহাদেশের সবচেয়ে ধনী দেশ।

তারা অনেক এগিয়ে গেছে’। বাংলাদেশের সাথে রয়েছে মরিশাসের চমৎকার সম্পর্ক। সেদেশে রয়েছে প্রচুর বাংলাদেশী প্রবাসী এবং তারা বিভিন্ন
পেশায় কাজ করছেন পুরো মরিশাস জুড়ে।

আজমেরী জানান, ‘মরিশাসে লাঞ্চের জন্য সবচেয়ে চমৎকার খাবার পাওয়া যায় রাজধানী পোর্ট লুইসের ফ্রি মার্কেটে। বাংলাদেশি টাকায় দেড়শ থেকে ৩০০ টাকার ভিতর চমৎকার লাঞ্চ করা যায়।

আজমেরী বলেন, এতগুলো দেশ ভ্রমন করেছি তবে মরিশাস স্পেশাল। এখানের সমুদ্র সৈকত গুলো দারুন, সেই সাথে পাহাড় পর্বত গুলো ঘুরে বেড়াবো আরো কয়েকদিন। রেস্টুরেন্টে গেলে কিছুটা বেশি টাকা গুণতে হবে, তবে সাধ্যের মধ্যেই। ৫০০ থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে খুব চমৎকারভাবে এই খাওয়া দাওয়া করা যায় ভালো ভালো রেস্টুরেন্টগুলোতে।

এখানকার বিরিয়ানি চমৎকার’।যদি সময় হয় আবারো একবার আসবো মরিশাসে।


আরো পড়ুন




Theme Created By Tarunkantho.Com