বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
অনলাইন নিউজ পোর্টাল “আজকের তরুণকণ্ঠে” জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ে সাংবাদিক/প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা  ইমেইলে (newstarunkantho@gmail.com)জীবন বৃত্তান্তসহ পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও জাতীয় পরিচয় পত্র সংযুক্ত করে পাঠাতে পারেন।

পুলিশ অভিযানে ডাকাত দলের ৮ সদস্য আটক

তরুণকণ্ঠ ডেস্ক / ১৫১ বার পড়েছে.
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৩, ৩:২৭ পূর্বাহ্ন
পুলিশ অভিযানে ডাকাত

ঢাকা জেলার দোহারে অভিযান চালিয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের ৮ সদস্যকে আটক করেছে দোহার থানা পুলিশ।  বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

বুধবার (২০ ডিসেম্ববর) বিকালে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান দোহার সার্কেল এএসপি মো. আশরাফুল আলম।

আটক কৃতরা , দোহার উপজেলার দক্ষিণ দেবীনগরের হানিফ চোকদারের ছেলে সুজন চোকদার (২০), একই এলাকার মো. জাহান আলীর ছেলে পরশ ওরফে জাহিদ বেপারী (২৮), কুলছড়ি গ্রামের দাদন চোকদারের ছেলে রাকিব চোকদার (২০), দক্ষিণ রাধানগরের লিটন শেখের ছেলে ইমন শেখ (২০), একই এলাকার শেখ লাল মিয়ার ছেলে বাচ্চু মিয়া (৩২), বজলু বেপারীর ছেলে শাকিল বেপারী (২০), উত্তর দেবীনগরের মধু বেপারীর ছেলে সুরুজ মিয়া ওরফে সুরু (৩৪), চরকুশাই গ্রামের শামচু চোকদারের ছেলে নাজমুল চোকদার (২৫)।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি জানানো হয়, গত ১৭ নভেম্বর দিবাগত রাতে দোহারের দক্ষিণ রাধানগর গ্রামের মো. ছন্দু মোল্লার বাড়িতে হানা দেয় ডাকাত দল। ডাকাতরা বসতঘরের দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করে এবং পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়। এঘটনায় ১৯ নভেম্বর ছন্দু মোল্লা বাদি হয়ে দোহার থানায় মামলা করেন। মামলার হওয়ার পরই আসামীদের ধরতে মাঠে নামে পুলিশ। ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মোঃ আসাদুজ্জামানের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আমিনুল ইসলামের দিক নির্দেশনায় ও দোহার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমের সরাসরি তত্ত্বাবধানে দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ নেতৃত্বে এসআই সুলতান মাহমুদসহ দোহার থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে ঘটনার সাথে জড়িত ৮ জনকে গ্রেপ্তার করে। তারা প্রাথমিকভাবে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানায় পুলিশ।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তারা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের সদস্য। উঠতি বয়সের ছেলেদের মাদকাসক্ত করে, পরে মাদকের টাকার জন্য তাদের ডাকাতির কাজে লিপ্ত করে চক্রটি। চক্রটির সদস্যরা বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে ছদ্মবেশে তথ্য সংগ্রহ ও টার্গেট ঠিক করতো। পরে একত্রে ডাকাতি করে সটকে পড়তো তারা।

দোহার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম জানান, আটককৃত আসামিদের আদালতে প্রেরণ করা হলে একজন স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ায় তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিনের রিমান্ড দিয়েছে বিজ্ঞ আদালত।


এ সম্পর্কিত

Theme Created By ThemesDealer.Com