রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
অনলাইন নিউজ পোর্টাল “আজকের তরুণকণ্ঠে” জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ে সাংবাদিক/প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা  ইমেইলে (newstarunkantho@gmail.com)জীবন বৃত্তান্তসহ পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও জাতীয় পরিচয় পত্র সংযুক্ত করে পাঠাতে পারেন।

সিঙ্গাইরে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ, ধামাচাপার চেষ্টা

তরুণকণ্ঠ ডেস্ক
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০২৪, ৫:৪৯ অপরাহ্ন
প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ

সিঙ্গাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি:

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় অভিযুক্ত মো. মোহন (৫০) এলাকা থেকে গা ডাকা দিয়েছে। মো. মোহন উপজেলার জামির্ত্তা ইউনিয়নের রামকান্তপুর এলাকার হোসেন আলীর ছেলে। এদিকে ধর্ষণের ঘটনাটি একটি প্রবাবশালী মহল ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।

ধর্ষিতার স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ওই নারী এক সন্তানের জননী। গত ১১ মার্চ তার স্বামী আত্মীয়র বাড়ি বেড়াতে যায়। মো. মোহন সুযোগ বুঝে গভীর রাতে দড়জা বিহীন ঘরে ডুকে। পরে তার মুখচেপে জোর করে ধর্ষণ করে। পরের দিন তার স্বামী ও এলাকাবাসীর কাছে ধর্ষণের বিষয়টি খুলে বলেন ওই নারী। এদিকে মো. মোহনের পরিবার ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছেন।

ধর্ষিত প্রতিবন্ধী নারী জানান, রাতে হঠাৎ করে মোহন আমার ঘরে ডুকে। একা পেয়ে মুখচেপে জোর করে আমাকে ধর্ষণ করে। পরেরদিন আমার স্বামীকে জানিয়ে দেই।

প্রতিবন্ধি নারীর স্বামী জানান, রাতে মো. মোহন আমার স্ত্রীকে জোর করে তার শয়ন কক্ষে ধর্ষণ করে। পরের দিন আমার স্ত্রী ধর্ষণের বিষয়টি আমাকে খুলে বলেন। ধর্ষণের সঠিক বিচারের দাবী জানান তিনি। তিনি আরোও বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন এলাকায় বসে বিষয়টি সমাধানের কথা বলেছেন।

ধর্ষিতার ভাই বলেন, মোহন খুব খারাপ চরিত্রের মানুষ। একজন প্রতিবন্ধীকে সে কিভাবে ধর্ষণ করে? এর আগে এই এলাকার এক শিশু মেয়েকেও ধর্ষণ করেছিল। পরে এলাকায় বিচার বসিয়ে তাকে গণধোলাই দেয়। এই নরপশুর কঠিন বিচার হওয়া দরকার।

এবিষয়ে কথা বলতে মো. মোহনের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তার বোনের জামাই মোহাম্মদ হারুন বলেন, গত বুধবার ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন এসে বিষয়টি শুনেছেন। চেয়ারম্যান সাহেব দু-এক দিনের মধ্যে বসে বিষয়টি সমাধান করবে।

জামির্ত্তা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লা বলেন, ধর্ষণের বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। ধর্ষণের ঘটনার বিচার করার ক্ষমতা তো আমার নেই।

সিঙ্গাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়ারুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে দেখছি। ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এ সম্পর্কিত

Theme Created By ThemesDealer.Com