রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ০৯:২১ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
অনলাইন নিউজ পোর্টাল “আজকের তরুণকণ্ঠে” জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ে সাংবাদিক/প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা  ইমেইলে (newstarunkantho@gmail.com) জীবন বৃত্তান্তসহ পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও জাতীয় পরিচয় পত্র সংযুক্ত করে পাঠাতে পারেন।

কালীগঞ্জে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে মাদকাসক্তদের আড্ডা, অসহায় কর্তৃপক্ষ

তরুণকণ্ঠ ডেস্ক
প্রকাশ : বুধবার, ১ মে, ২০২৪, ১০:২৪ অপরাহ্ন
ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে

মারুফ হাসান, স্টাফ রিপোর্টার:

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জামালপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রটি পরিত্যক্ত ঘোষণা হওয়ার পরও ভবন ও বাউন্ডারি কাজ করা হচ্ছে না। অনেক আগেই ভবন পূর্ণ নির্মাণ করার কথা থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাওয়ার পরও ভবনটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি । ঠিক কবে নাগাদ ভবনটি পূর্ণ নির্মাণ করা হবে তাও অনিশ্চিত। এমত অবস্থায় ভবনটি ব্যবহার একেবারেই অনুপোযোগী হয়ে উঠেছে।

এ বিষয়ে জামালপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রের উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার শেখ আব্দুল গাফফার জানান, ভবনটি দীর্ঘদিন আগেই পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। বর্তমানে ভবনটির অবস্থা একেবারেই ব্যবহার অনুপযোগ। প্রায় সময় ছাদ খুলে পড়েছে। একটি কক্ষে আমরা সেবা কর্মসূচি চালাচ্ছি। তাছাড়া পাশে আরেকটি ভবন ছিল যেটা বর্তমানে একেবারেই ব্যবহার অনুপযোগী এবং পরিত্যক্ত হয়ে গেছে। ভবনটির দরজা জানালা সহ অন্যান্য জিনিসপত্র বখাটে ও মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ বিষয়ে একাধিক দপ্তরে আমরা অভিযোগ করেছি। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত অব্যাহত ছিল। কিন্তু বর্তমানে আবারো মাদকাস্বত্ব ব্যক্তিদের দ্বারা ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অন্যদিকে ভবনটি পুনর্নির্মাণ না করলে যে কোন মুহূর্তে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা । অনেকটা ভয় বিতির মধ্যেই চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছি। তবে ভবনটি অতি দ্রুত পুনঃনির্মাণ কাজ শুরু হলে দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়ে যেত অনেকেই।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রটির বাউন্ডারি গেট সহ বিভিন্ন সরকারি সম্পদ বিনষ্ট হয়েছে । এদের মধ্যে বাউন্ডারি একপাশে দোষে পড়ে গেছে । মূল ভবনের ছাদ ভেঙে পড়ে যাচ্ছে। যা মেরামত না করলে ব্যবহার অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ। অন্য আরেকটি ভবনের অবস্থা খুবই নাজেহাল। ভবনটির দরজা-জানালা সহ লোহার গ্রিল এমনকি বৈদ্যুতিক সংযোগ পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন। যা পরিত্যক্ত ভবন হিসেবে পড়ে আছে।

এ বিষয়ে শেখ আব্দুল গাফফারের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রাতের বেলা প্রহরী না থাকায় ১৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ইং তারিখ অফিস বন্ধ থাকা অবস্থায় অজ্ঞাত বখাটে ও মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের দ্বারা মূল ভবনের একটি ফ্যান ছয়টি লোহার গ্রিল সহ বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরি হয়েছে যার আনুমানিক মূল্য ১৫০০০ টাকা। অন্য ভবনটির ১৪টি গ্রিল চুরি হয়েছে যার আনুমানিক মূল্য ২৮০০০ টাকা।

এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভবনটির অবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোন মুহূর্তে সেবা নিতে আসা রোগীর উপরে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। তাছাড়া বখাটে ব্যক্তিদের ধারা ভবনের সরকারি সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে । তাই ভবনটি অতি দ্রুত পুনঃনির্মাণ করা প্রয়োজন।


এ সম্পর্কিত

Theme Created By ThemesDealer.Com