শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
অনলাইন নিউজ পোর্টাল “আজকের তরুণকণ্ঠে” জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ে সাংবাদিক/প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা  ইমেইলে (newstarunkantho@gmail.com)জীবন বৃত্তান্তসহ পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও জাতীয় পরিচয় পত্র সংযুক্ত করে পাঠাতে পারেন।

চলতি বছর ২৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাবে বাংলাদেশ; বিশ্বব্যাংক

তরুণকণ্ঠ ডেস্ক
প্রকাশ : বুধবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন
বাংলাদেশের রেমিট্যান্স

২০২২ সালে বাংলাদেশে প্রবাসী আয় প্রবাহ নেতিবাচক থাকলেও চলতি বছর শেষে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে। এমন পূর্বাভাস দিয়ে বিশ্বব্যাংক বলছে, বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে বছর শেষে বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয় দাঁড়াতে পারে ২৩ বিলিয়ন ডলার।

সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ব্রিফ অনুসারে, সাম্প্রতিক ব্যালান্স অভ পেমেন্ট সংকটের কারণে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

ব্রিফে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ২৩ বিলিয়ন ডলার থাকবে বলে প্রক্ষেপণ করা হয়েছে। এছাড়া নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মধ্যে প্রবাসী আয়প্রাপ্তিতে বাংলাদেশ ২০২৩ সালের শেষে সপ্তম স্থানে থাকবে। এই তালিকায় সবার ওপরে থাকবে ভারত। এছাড়া চলতি বছর দেশটির প্রবাসী আয়ের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ১২৫ বিলিয়ন ডলার।

এদিকে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুসারে, ২০২৩ সালের ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে রেকর্ড ১২ দশমিক ৪৬ লাখ কর্মী বিদেশে গেছে। গত বছরে এ সংখ্যা ছিল ১১ দশমিক ৩৫ লাখ।

কর্মী রপ্তানি খাতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হলেও বিগত দুই পঞ্জিকাবর্ষে রেমিট্যান্সের প্রবাহ ২২ বিলিয়ন ডলারের আশপাশেই আটকে ছিল।

বৈশ্বিক ঋণদাতা সংস্থাটি পূর্বাভাস দিয়েছে যে আগামী বছর উপসাগরীয় দেশগুলোতে দক্ষিণ এশিয়ার কর্মীদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে। এই দেশগুলো আবার বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের প্রধান উৎস।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিলভুক্ত (জিসিসি) দেশগুলোর প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক থাকতে পারে। পাশাপাশি তেলের দাম কম হওয়ায় ২০২৪ সালে ওই দেশগুলোতে দক্ষিণ এশীয় অভিবাসীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে।

নোমাড ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এ বছর শ্রীলঙ্কারও প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি হবে। সংস্থা দুটি মনে করে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্তাবলি পালনের কারণে দেশীয় অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে।

এতে আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীদের আস্থা ফেরায় বাড়বে আয়। উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি কমার কারণে প্রবাসী আয়প্রবাহ বাড়বে।


এ সম্পর্কিত

Theme Created By ThemesDealer.Com